মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

এল,এ, শাখা,নড়াইল

  • শাখার সাংগঠনিক কাঠামো
  • শাখার পরিচিতি
  • কার্যক্রম
  • নাগরিক সেবা
  • ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • সভা
  • চলতি প্রকল্পসমূহ
  • শাখার ফর্মসমূহ
  • ডিজিটাল গার্ড ফাইল
  • আইন ও পলিসি
  • অন্যান্য
  • যোগাযোগ

প্রোফাইল

প্রোফাইল

এল,এ, শাখা,নড়াইল

প্রোফাইল

 

মন্ত্রিপরিষদ  বিভাগ এর ২২/০৫/৯৭ খ্রিঃ তারিখে মপবি(সংস্থা)৯/(৩) ২০০৭-১৮৯ নং স্মারকের অনুবৃত্তিক্রমে এল,এ শাখার সার্বিক কার্যক্রম অধিকতর গতিশীল,স্বচ্ছ ওসেবার মান উন্নয়নকল্পে ‍‍ “সিটিজেন চার্টার”(Citizen Charter)প্রনয়ণ করা হলো।

 

কার্যক্রমঃ-

ক্রঃনঃ

সেবার নাম/ধরণ

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

মন্তব্য/সময়সীমা

০১.

ভূমি অধিগ্রহণ

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর আওতায় জনস্বার্থে বা জন উদ্দেশো  যে  কোন বেসরকারি সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হয়। তবে ধর্মীয় উপসনালয়,কবরস্থান এবং শ্মশান হিসাবেব্যবহৃত  কোন  সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা  যাইবে না।  অধিগ্রহণ প্রস্তাবে সরকারি খাস জমি অন্তর্ভূক্ত থাকিলে উহা অধিগ্রহণের  প্রয়োজন হইবে না। এইরুপ  ক্ষেত্রে  খাস সম্পত্তির মূল্য ধার্য করিয়া (একই কেসে পার্শ্ববর্তী সমশেণী ও সমসুবিধাযুক্ত ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পিত্তর  জন্য  ধার্যকৃত  মূল্যহারের ভিত্তিতে) মুল্য বাবদ অর্থ  প্রত্যাশী সংস্থার নিকট  হইতে  আদায়ক্রমে‍ “৭ ভূমি  রাজস্ব নানাবিধ আদায়”খাতে  জমা দিয়া প্রত্যাশী সংস্থার  বরাবরে  দখল হস্তান্তর  করিয়া  দিতে  হইবে। অধিগ্রহণ প্রস্তাবভূক্ত  জমি  পুরাটাই  খাস জমি হইলে তাহা  অধিগ্রহণ  না করিয়া  বিধি  মোতাবেক  বন্দবস্তীর  ব্যবস্থা  নিতে  হইবে।

প্রকল্প অনুমোদনের  তারিখ  হতে এক বছরের  মধো।

০২.

ভূমি অধিগ্রহেণর  ক্ষতিপূরণ প্রদান

** প্রত্যাশী সংস্থা/ব্যক্তির নিকট  হইতে প্রাক্কলিত অর্থ  প্রাপ্তির  পর পরই  ক্ষতিপূরণ  বিতরণের ব্যবস্থা করিতে হইবে। ক্ষতিপূরণ বিতরণে  নিম্ন বর্ণিত   পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবেঃ

ক) ক্ষতিপূরণ মূলতঃ প্রাপকের খাতে প্রদেয়’এল,এ, চেকে  যথাসম্ভব প্রকল্প  এলাকায়   বিতরণ  করিতে হইবে।

খ) স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/সদস্য/ওয়ার্ড কমিশনার/ গণ্যমান্য ব্যক্তি কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রাপককে সনাক্ত করিতে হইবে।

গ) বর্গাদারের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ নগদ অর্থে প্রদান করিতে হইবে।

ঘ) এওয়ার্ডভূক্ত মালিক  ব্যতীত অন্য কেহ ক্ষতিপূরণের  অর্থ দাবী  করিলে মালিকানা  সাব্যস্তের লক্ষে দাবীদারের নিকট হইতে আবেদন গ্রহণ করিয়া  মিস কেস চালু  করিয়া সংশ্লিষ্ট  রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং যথাযথ শুনানী ও  পরীক্ষা-নিরীক্ষার  পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব/এল,এ) এর আদেশের ভিত্তিতে উপযুক্ত মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে।

ঙ) কোন ক্ষতিগ্রস্থ মালিক  জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত  ক্ষতিপূরণের  পর্যাপ্ততা  সম্পর্কে  সন্তষ্ট না হইলে তিনি  আপত্তি  সহকারে  ক্ষতিপূরণ  গ্রহণ করিতে পারিবেন। মালিকদের নিকট হইতে  প্রাপ্ত এইরুপ আপত্তি  সংশ্লিষ্ট  রেজিস্টারে  লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে। এতদ্ব্যতীত এওয়ার্ড বহির মন্তব্য  কলামেও  নোট রাখিতে হইবে। আপত্তি  ব্যতীত  ক্ষতিপূরণ গ্রহণকারী  কোন মালিক ২৮ ধারামতে আরবিট্রেটরের  নিকট আবেদন করিতে পারিবেন না।

 

প্রকল্প অনুমোদনের  তারিখ  হতে এক বছরের  মধো  ।

 

 

 

 

 

                                                                      

 

 

** কোন মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি ক্ষতিপূরণ গ্রহণে রাজী না  হন বা যদি জমির মালিকানা  বা অংশের ব্যাপারে জটিলতা  সৃষ্টি হয় বা আদালতে  কোন মামলা বিচারাধীন থাকে সেই  ক্ষেত্রে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ প্রজাতন্ত্রের  সরকারি হিসাবভূক্ত  জমা  হিসাবখাতে (Deposit account of the public  Account of the Republic) গচ্ছিত রাখিতে হইবে। এই  ব্যবস্থা  নেওয়া হইলেই  ক্ষতিপুরণ প্রদান করা হইয়াছে মর্মে  বিবেচিত হইবে। জটিলতা/মামলা  নিষ্পত্তির  পর এইরুপ  জমাকৃত অর্থ উপর্যুক্ত  মালিকদের প্রদান করিতে হইবে।

** উক্তরুপভাবে  ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হইলে কিংবা  হইয়াছে মর্মে বিবেচিত হইলে সম্পৃক্ত সম্পত্তির  মালিকানা  দায়মুক্তভাবে  সরকারের উপর  বর্তাইবে এবং  জেলা  প্রশাসক সম্পত্তির  দখল গ্রহণ করিতে পারিবেন।

** প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ অপেক্ষা অধিক অর্থ কাহাকেও  প্রদান করা  হইলে,কিংবা সঠিক মালিক ব্যতীত  অন্য কাহাকেও  ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়া হইলে, উক্ত অর্থ সরকারী দাবী(Public Demand) হিসাবে আদায়যোগ্য  হইবে।

 

 

 

প্রোফাইল

 

নাগরিক সেবাঃ-

ক্রঃনঃ

সেবার নাম

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের  বিধান।

০১.

ভূমি অধিগ্রহণ

স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর আওতায় জনস্বার্থে বা জন উদ্দেশো  যে  কোন বেসরকারি সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হয়। তবে ধর্মীয় উপসনালয়,কবরস্থান এবং শ্মশান হিসাবেব্যবহৃত  কোন  সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা  যাইবে না।  অধিগ্রহণ প্রস্তাবে সরকারি খাস জমি অন্তর্ভূক্ত থাকিলে উহা অধিগ্রহণের প্রয়োজন হইবে না। এইরুপ  ক্ষেত্রে  খাস সম্পত্তির মূল্য ধার্য করিয়া ( একই কেসে  পার্শ্ববর্তী সমশেণী ও সমসুবিধাযুক্ত ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পিত্তর  জন্য  ধার্যকৃত  মূল্যহারের ভিত্তিতে) মুল্য বাবদ অর্থ  প্রত্যাশী সংস্থার নিকট  হইতে  আদায়ক্রমে‍ “৭ ভূমি  রাজস্ব নানাবিধ আদায়”খাতে  জমা দিয়া প্রত্যাশী সংস্থার  বরাবরে  দখল হস্তান্তর  করিয়া  দিতে  হইবে। অধিগ্রহণ প্রস্তাবভূক্ত  জমি  পুরাটাই  খাস জমি হইলে তাহা  অধিগ্রহণ  না করিয়া  বিধি  মোতাবেক  বন্দবস্তীর  ব্যবস্থা  নিতে  হইবে।

প্রকল্প অনুমোদনের  তারিখ  হতে এক বছরের  মধো।

 উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে  অবহিত করা।

০২.

ভূমি অধিগ্রহেণর  ক্ষতিপূরণ প্রদান

** প্রত্যাশী সংস্থা/ব্যক্তির নিকট  হইতে প্রাক্কলিত অর্থ  প্রাপ্তির  পর পরই  ক্ষতিপূরণ  বিতরণের ব্যবস্থা করিতে হইবে। ক্ষতিপূরণ বিতরণে  নিম্ন বর্ণিত   পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবেঃ

ক) ক্ষতিপূরণ মূলতঃ প্রাপকের খাতে প্রদেয়’এল,এ, চেকে  যথাসম্ভব প্রকল্প  এলাকায়   বিতরণ  করিতে হইবে।

খ) স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/সদস্য/ওয়ার্ড কমিশনার/ গণ্যমান্য ব্যক্তি কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রাপককে  সনাক্ত  করিতে হইবে।

গ) বর্গাদারের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ নগদ অর্থে প্রদান করিতে হইবে।

ঘ) এওয়ার্ডভূক্ত মালিক  ব্যতীত অন্য কেহ ক্ষতিপূরণের  অর্থ দাবী  করিলে মালিকানা  সাব্যস্তের লক্ষে দাবীদারের নিকট হইতে আবেদন গ্রহণ করিয়া  মিস কেস চালু  করিয়া সংশ্লিষ্ট  রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং যথাযথ শুনানী ও  পরীক্ষা-নিরীক্ষার  পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব/এল,এ) এর আদেশের ভিত্তিতে উপযুক্ত মালিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে।

 

প্রকল্প অনুমোদনের  তারিখ  হতে এক বছরের  মধো।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে  অবহিত করা।

 

 

 

 

 

 

 

 

ঙ) কোন ক্ষতিগ্রস্থ মালিক  জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্ধারিত  ক্ষতিপূরণের  পর্যাপ্ততা  সম্পর্কে  সন্তষ্ট না হইলে তিনি  আপত্তি  সহকারে  ক্ষতিপূরণ  গ্রহণ করিতে পারিবেন। মালিকদের নিকট হইতে  প্রাপ্ত এইরুপ আপত্তি  সংশ্লিষ্ট  রেজিস্টারে  লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিতে হইবে। এতদ্ব্যতীত এওয়ার্ড বহির মন্তব্য  কলামেও  নোট রাখিতে হইবে। আপত্তি  ব্যতীত  ক্ষতিপূরণ গ্রহণকারী  কোন মালিক ২৮ ধারামতে আরবিট্রেটরের  নিকট আবেদন করিতে পারিবেন না।

** কোন মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি ক্ষতিপূরণ গ্রহণে রাজী না  হন বা যদি জমির মালিকানা  বা অংশের ব্যাপারে জটিলতা  সৃষ্টি হয় বা আদালতে  কোন মামলা বিচারাধীন থাকে সেই  ক্ষেত্রে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ প্রজাতন্ত্রের  সরকারি হিসাবভূক্ত  জমা  হিসাবখাতে (Deposit account of the public  Account of the Republic) গচ্ছিত রাখিতে হইবে। এই  ব্যবস্থা  নেওয়া হইলেই  ক্ষতিপুরণ প্রদান করা হইয়াছে মর্মে  বিবেচিত হইবে। জটিলতা/মামলা  নিষ্পত্তির  পর এইরুপ  জমাকৃত অর্থ উপর্যুক্ত  মালিকদের প্রদান করিতে হইবে।

** উক্তরুপভাবে ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হইলে কিংবা হইয়াছে মর্মে বিবেচিত হইলে সম্পৃক্ত সম্পত্তির  মালিকানা  দায়মুক্তভাবে  সরকারের উপর  বর্তাইবে এবং  জেলা  প্রশাসক সম্পত্তির  দখল গ্রহণ করিতে পারিবেন।

** প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ অপেক্ষা অধিক অর্থ কাহাকেও  প্রদান করা  হইলে,কিংবা সঠিক মালিক ব্যতীত  অন্য কাহাকেও  ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়া হইলে, উক্ত অর্থ সরকারী দাবী(Public Demand) হিসাবে আদায়যোগ্য  হইবে।

প্রকল্প অনুমোদনের  তারিখ  হতে এক বছরের  মধো।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে  অবহিত করা।

প্রোফাইল

ছবি নাম মোবাইল
আয়শা জান্নাত তাহেরা ০১৭১৭৯৪০২৬৫

প্রোফাইল

ছবি নাম মোবাইল

প্রোফাইল

প্রোফাইল

চলতি প্রকল্পসমুহঃ-

 

১।         নড়াইল  জেলায়  কারিগরী  প্রশিক্ষণ  কেন্ত্র স্থাপন প্রকল্প।

২।         “লোহাগড়া-নড়াইল”ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন প্রকল্প।

৩।         স্বল্প ও মধ্যম আয়ের  লোকদের জন্য সাইট এন্ড সার্ভিসেস আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প/নড়াইল হাউজিং প্রকল্প।

৪।         “কালিয়া-নড়াইল”ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন প্রকল্প।

প্রোফাইল

প্রোফাইল

প্রোফাইল

প্রোফাইল

0

প্রোফাইল

এল,এ, শাখাচতুর্থ তলাজেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নড়াইল।ফোনঃ ৬২৪০৬