মেনু নির্বাচন করুন
খবর

ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা ও কোটাকোল ইউনিয়নের আশ্রয়ণ কেন্দ্র ও গুচ্ছগ্রামের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সাথে সাক্ষাৎ

লোহাগড়া ইতনা ইউনিয়নের কুমারডাঙ্গা ও কোটাকোল ইউনিয়নের আশ্রয়ণ কেন্দ্র ও গুচ্ছগ্রামের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সাথে সাক্ষাৎ করা হয়, সাথে উপস্থিত ছিলেন জনাব মাহবুবুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), জনাব মোঃ আরাফাত হোসেন সহকারী কমিশনার ভূমি (লোহাগড়া)।

দেশের ভূমিহীন ও বাস্তহারা লোকজনদের বসবাসের জন্য সরকার নির্মিত আবাস স্থল হলো আশ্রয়ণ/গুচ্ছগ্রাম।

সম্পূর্ণ বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিন (০৩) টি ফেজে আশ্রয়ণ প্রকল্প (৯১৯৭ - ২০০২), আশ্রয়ণ প্রকল্প (ফেইজ – ২) (২০০২ - ২০১০), আশ্রয়ণ – ২ প্রকল্প (২০১০ - ২০১৭) মোট ১,৭৩,৮৫৭টি পরিবার পুনর্বাসন করা হয়, তন্মধ্যে আশ্রয়ণ – ২ প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৭,৯৪৪টি পরিবার পুনর্বাসন করা হয়েছে। বর্ণিত প্রকল্পের সাফল্য ও ধারাবাহিকতায় ২০১০-২০১৯ (সংশোধিত) মেয়াদে ২.৫০ লক্ষ গৃহহীন, ছিন্নমূল পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

পুনর্বাসিত ভূমিহীন, গৃহহীন, দুর্দশাগ্রস্ত ও ছিন্নমূল পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে ভূমির মালিকানা স্বত্বের দলিল/কবুলিয়ত সম্পাদন, রেজিষ্ট্রি ও নামজারী করে দেয়া হয়। পুনর্বাসিত পরিবার সমূহের জন্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রে কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, মসজিদ নির্মাণ, কবর স্থান, পুকুর ও গবাদি পশু প্রতিপালনের জন্য সাধারণ জমির ব্যবস্থা করা হয়। পুনর্বাসিত পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন উৎপাদনমুখী ও আয়বর্ধক কর্মকান্ডের জন্য ব্যবহারিক ও কারিগরী প্রশিক্ষণ দান এবং প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ করা হয়।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য:
ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল,অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ঋণ প্রদান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা ও আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ।

ছবি


ফাইল


প্রকাশনের তারিখ

২০১৮-০৪-০৭

আর্কাইভ তারিখ

২০১৮-০৫-৩১


Share with :

Facebook Twitter