মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

শিক্ষা প্রতিবেদন

কালিয়া উপজেলাঃ

কালিয়া উপজেলায় সরকারী স্কুলের সংখ্যা ৭১টি, রেজিষ্টার প্রাথমিক বিগদ্যালয়৬৫ , কমিউনিটি ১০টি, মাদ্রাসার সংখ্যা ৩৯টি। একদা হাটি হাটি পা পা করে যাত্রা শুরু হয়েছিল্। কালিয়া উপজেলায় সবার জন্য মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষার স্বরূপ তা আজ সেই দৌড়ে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলার ভেতর বিশেষ স্থানে আসীন করে নিয়েছে। কালিয়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা মডেলের মডেল হতে চলেছে আর এর জন্য সার সবৃদ্ধ প্রশাসনিক সুদক্ষতার শুভ দৃষ্টি পড়েছে তিনি হলেন কালিয়া উপজেলার শিক্ষা অফিসার, সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ, আর সবচেয়ে সুদক্ষ সুলক্ষ্য চুড়ায় সকল শক্তি দিয়ে শিক্ষা নামের আলোর তরী ঠেলে নিয়ে যারা তারা হলেন কালিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। যারা অতন্ত্রপ্রহরী, সময়ের সাহসী সৈনিক। সারা দেশের ৪০ টি মডেল উপজেলা হিসেবে ঘোষনা করার পর কালিয়া বিশেষ কৃতিত্বের আসনে আসীন হয়েছে। কালিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা,প্রাথমিক শিক্ষা রিসত্মারণ সহজ ও সুন্দর হবে।

 

লোহাগড়া উপজেলাঃ

লোহাগড়া উপজেলায় সরকারী স্কুলের সংখ্যা ৭১টি, রেজিষ্টার প্রাথমিক বিগদ্যালয়৬৫ , কমিউনিটি ১০টি, মাদ্রাসার সংখ্যা ৩৯টি। একদা হাটি হাটি পা পা করে যাত্রা শুরু হয়েছিল্। লোহাগড়া উপজেলায় সবার জন্য মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষার স্বরূপ তা আজ সেই দৌড়ে সারা বাংলাদেশের ৪০ টি উপজেলার ভেতর বিশেষ স্থানে আসীন করে নিয়েছে।লোহাগড়া  উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা মডেলের মডেল হতে চলেছে আর এর জন্য সার সবৃদ্ধ প্রশাসনিক সুদক্ষতার শুভ দৃষ্টি পড়েছে তিনি হলেন লোহাগড়া উপজেলার শিক্ষা অফিসার জনাব কৃষ্ণপদ সরকার, সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ, আর সবচেয়ে সুদক্ষ সুলক্ষ্য চুড়ায় সকল শক্তি দিয়ে শিক্ষা নামের আলোর তরী ঠেলে নিয়ে যারা তারা হলেন লোহাগড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। যারা অতন্ত্রপ্রহরী, সময়ের সাহসী সৈনিক। সারা দেশের ৪০ টি মডেল উপজেলা হিসেবে ঘোষনা করার পর লোহাগড়া বিশেষ কৃতিত্বের আসনে আসীন হয়েছে। লোহাগড়ার শিক্ষা ব্যবস্থা,প্রাথমিক শিক্ষা রিসত্মারণ সহজ ও সুন্দর হবে।

ইতোমধ্যে এর সবকটি বাসত্মবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় পতাকার স্থায়ী দন্ড, পরিষ্কার- পরিছন্নতা, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, বিনের ব্যবহার, ফুলের বাগান, বালক বালিকাদের পৃথক শৌচাগার, মনিটরিং বোর্ড, শিক্ষকদের পরিচ্ছন্ন পোশাক, স্কুল ড্রেস, ছাত্রছাত্রীদের ১০% স্কুল ড্রেস, কাউন্সিলার, সক্রিয় এস এম সি, স্থানীয় জনগণের সাথে সম্পর্ক, বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা, লাইব্রেরী, প্রতিবন্ধি শিশুদের বিশেষ গুরুত্ব প্রদান, নিয়মিত সমাবেশ, শিক্ষক- শিক্ষার্থী অমত্মরঙ্গ সম্পর্ক, উপকরণ ব্যবহার, ছাত্র-ছাত্রীদের আসন বিন্যাস, শিখন ফল লিখিত করণ, ছাত্র-ছাত্রীদের দলীয় কাজ, প্রশ্ন করার কৌশল, ছবি অংকন, হাতের লেখা, ভাল কাজের প্রসংশা, শিশুদের নিরাপত্তা ও বিনোদন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয় রয়েছে।

মডেল কার্যক্রমের বিসত্মারিত বিবরণ দিতে গিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব  কৃষ্ণপদ সরকার জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুযোগ নেতৃত্বে শিক্ষক- শিক্ষিকা স্থানীয় জনসাধারনের ব্যাপক সহযোগিতা ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রমের কারণে প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্ভবপর হয়েছে। উপহেলা সহ: শিক্ষা অফিসারগণ বলেন, শিক্ষার গুনগত মান ও সার্বিক অবকাঠামোর উন্নয়ন লোহাগড়া মডেলের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পাবার দাবিদার।

শিক্ষা ব্যবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব কৃষ্ণপদ সরকার আরো জানান, শ্রেণী ব্যবস্থাপনার ইতিবাচক পরিবর্তনসহ প্রতিটি বিদ্যালয়ে লাইব্রেরী চালুর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের বই পড়ার অভ্যাস, ছবি আঁকা, সকল ছাত্র- ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস, সকল শিক্ষক- শিক্ষিকার স্কুল ড্রেসসহ প্রত্যেক সহকারী শিক্ষককে কাউন্সিলর নাম দিয়ে ক্যাচমেন্ট এলাকার নির্দিষ্ট অংশের দায়িত্ব দিয়ে নিয়মিত উঠান বৈঠকের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি কার্যক্রম সকলের নজর কেড়েছে।

এছাড়া বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের আহবানে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণ বিভিন্নভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আরো জানান, ‘‘যদিও আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে তবুও এই উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাকে দেশের শীর্ষ পর্যায়ে দ্রুত ও স্থানীয় রূপ দেওয়া সম্ভব। যদি বিদ্যালয় এলাকার জন সাধারণ বিদ্যালয়টিকে নিজের ও নিজেদের ভেবে বিদ্যালয়কে নিয়ে রাজনীতি না করে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে এগিয়ে আসেন’’

মোট কথা লোহাগড়া উপজেলার শিক্ষার উৎকর্ষতা আর কাঙ্খিত লক্ষে পৌছানো সম্ভব। যদি শিক্ষক ও জনসাধারণের সম্পর্ক ও প্রসারে দারিদ্যের অভিষাপ থেকে নিস্কৃতি লাভ করা যাই। যেন একথা শুনতে না হয়, ‘‘স্যার- ভাত খেয়ে আসেনি, ভাত ছিলনা, ক্ষিদেতে মাথা ঘুরছে।’’